বিশ্বজুড়ে ফাইভজি কোর নেটওয়ার্কে ব্যয় বেড়েছে ৮৩%

বিশ্বজুড়ে ফাইভজি প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারে যোগাযোগসেবা প্রদানকারী (সিএসপি) প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগে ব্যাপক উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।

২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ফাইভজি প্যাকেট কোর নেটওয়ার্ক খাতে বিনিয়োগ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সাম্প্রতিক ‘কোর মার্কেট ট্র্যাকার’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, ফাইভজি প্যাকেট কোর হলো একটি শক্তিশালী ডিজিটাল কন্ট্রোল সেন্টার বা মোবাইল নেটওয়ার্কের ‘মস্তিষ্ক’। স্মার্টফোনে যখন ইন্টারনেট ব্যবহার বা কল করা হয়, তখন সে তথ্য বা ‘ডেটা প্যাকেট’ কোথায় যাবে ও কীভাবে দ্রুততম সময়ে পৌঁছাবে, তা নির্ধারণ করে এ কোর নেটওয়ার্ক।

ওমডিয়ার তথ্যানুযায়ী, মূলত ফাইভজি স্ট্যান্ডঅ্যালোন (এসএ) নেটওয়ার্কের বিস্তার ও ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন আয়ের উৎস তৈরির লক্ষ্যেই বড় অংকের বিনিয়োগ করা হচ্ছে এ খাতে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলে এ প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি। নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যয় সংকোচন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত সেবা প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের আলাদা করতে সিএসপিরা এ বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৮৮টি টেলিকম অপারেটর ফাইভজি এসএ সেবা চালু করেছে। ওমডিয়ার তথ্যমতে, গত প্রান্তিকে বাজার হিস্যার দিক থেকে কোর নেটওয়ার্কে শীর্ষ পাঁচটি কোম্পানি হলো হুয়াওয়ে, এরিকসন, নকিয়া, জেডটিই ও সিসকো।

ওমডিয়ার প্রিন্সিপাল অ্যানালিস্ট রবার্তো কোম্পানি বলেন, সিএসপিদের এ কৌশলগত বিনিয়োগ মূলত ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করারই অংশ। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালেও ফাইভজি কোর বিনিয়োগে শক্তিশালী দ্বিগুণ অংকের প্রবৃদ্ধি বজায় থাকবে। ক্রমবর্ধমান গ্রাহক চাহিদা পূরণ এবং বিশ্বজুড়ে নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বাড়াতে এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও